উন্নয়ন পরিকল্পনা, অর্থনীতি ২য় পত্র, সৃজনশীল প্রশ্ন, এইচ এস সি ।। Development Planning, Economics 2nd Part,Creativities Question, HSC.
উন্নয়ন পরিকল্পনা, অর্থনীতি ২য় পত্র, সৃজনশীল প্রশ্ন, এইচ এস সি ।। Development Planning, Economics 2nd Part,Creativities Question, HSC.
১.
'' X'' ও ''Y'' দুটি দেশ । উভয় দেশই আর্থসামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন, দারিদ্র দূরীকরণ, জনগণের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এবং বেকার সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে সচেষ্ট। এক্ষেত্রে '' X'' দেশ কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু 'Y' দেশ রাজস্ব ও আর্থিক নীতির সহযোগিতায় বেসরকারি খাতকে উৎসাহদানের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে ।
ক. পরিকল্পনা কী ? ১
খ. প্রেক্ষিতে পরিকল্পনা কেন প্রণয়ন করা হয় ? ২
গ. উদ্দীপকের ভিত্তিতে ''Y'' দেশের গৃহীত পরিকল্পনার ধরন চিহ্নিত কর। ৩
ঘ. '' X'' ও ''Y'' দেশে গৃহীত পরিকল্পনার মধ্যে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কোনটির বেশি কার্যকর
ভূমিকা রাখতে পারে ? তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও। ৪
২.
বাংলাদেশ সম্প্রতি উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। এ দেশের উন্নয়নের জন্য দ্রুত শিল্পায়ন, বেকার সমস্যার সমাধান, মুদ্রাস্ফীতি রোধ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন । এজন্য সরকার ২০১০-২০২১ ও ২০১১- ২০১৫ এর ন্যায় বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে আসছে। প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং বাস্তবায়নের দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করলেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র ভেদ করা সম্ভব এবং দৃশ্যমান সফলতাও অর্জিত হচ্ছে। যদিও এটি সময় সাপেক্ষ বিষয়।
ক. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কী ? ১
খ. উন্নয়নশীল দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন ? ২
গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহনের কারণসমূহ ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ''দারিদ্রের দুষ্টচক্র ভেদ করার জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রয়োজন আছে '' - উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি যথার্থতা
মূল্যায়ন কর। ৪
৩.
উন্নয়ন পরিকল্পনা ছাড়া কোনো দেশই উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারে না। বাংলাদেশ সরকার ২০১১ সালে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে যা ২০১৫ সালে শেষ হয়। মূলত এ পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশল অবলম্বন করেই দেশটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথ সুগম করেছে ।
ক. প্ররোচিত পরিকল্পনা কী ? ১
খ. '' পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়''- ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকারের কোন পরিকল্পনা কথা বলা হয়েছে ? এ পরিকল্পনার তিনটি উদ্দেশ্য লেখ। ৩
ঘ. উদ্দেপকে বর্ণিত পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশলসমূহ বিশ্লেষণ কর। ৪
৪.
দারিদ্র বিমোচনে মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নকে জন্য একটি দেশের অর্থনীতিতে পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯৭৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে পাঁচটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং একটি দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। প্রতিটি পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য ছিল দারিদ্র বিমোচন, রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গৃহীত ষষ্ট ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যে হলো দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণের সংখ্যা বর্তমানের ৩১.৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ নামিয়ে আনা এবং এভাবে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা ।
ক. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা কাকে বলে ? ১
খ. '' বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবরূপ লাভ করে '' - ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৭৩ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পরিকল্পনার ধরন ব্যাখ্যা
কর। ৩
ঘ. ষষ্ট পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশল বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্রের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অজর্নে কতটুকু সফল হয়েছে ? মূল্যায়ন কর। ৪
৫.
কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম । কিন্তু বাংলাদেশের মতো অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নানাবিধ সমস্যা বিদ্যমান । তন্মধ্যে দক্ষ মানবসম্পদের অভাব, অর্থায়নের অনিশ্চিত, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অনুপস্থিতি সৎ ও দক্ষ প্রশাসনের অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ক. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা কী ? ১
খ. কোনো দেশের সুষম উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা একান্ত প্রয়োজন। ব্যাখ্যা কর ? ২
গ. উদ্দীপকের আলোকে উন্নয়নশীল দেশের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সমস্যাগুলো আলোচনা কর। ৩
ঘ. বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তোমার সুপারিশ ব্যাখ্যা কর । ৪
৬.
উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে উন্নয়ন পরিকল্পনা অত্যাবশ্যক। বাংলাদেশ সরকার ২০১১-১৫ মেয়াদে একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে কৃষি উৎপাদন,শিল্পে কর্মসংস্থান, সরকারি - বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেয়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বলে আশা করা যায়।
ক. স্থানীয় পরিকল্পনা কাকে বলে ? ১
খ. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুটি সুবিধা লেখ ? ২
গ. উদ্দীপকের পরিকল্পনাটি কোন ধরনের ? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত পরিকল্পনা উন্নয়ন কৌশল ব্যাখ্যা কর। ৪
৭.
দেশের উন্নয়নের সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকার ২০১০ সালে রূপকল্প ২০২১ নামে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে । এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সরকার ২০১১-২০১৫ সময়সীমার আর ও একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরিকল্পনার উদ্দেশ্যর মধ্যে দারিদ্র বিমোচনসহ সকল সেক্টরের উন্নতি সাধনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করে ।
ক. উন্নয়ন পরিকল্পনা কী ? ১
খ. '' পরিকল্পনা ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয় '' - ব্যাখ্যা কর ? ২
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রূপকল্পটি কোন ধরনের পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে ? এ ধরনের পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়
কেন ? ৩
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিকল্পনা দুটি দেশের দারিদ্র বিমোচনে কতটুকু অগ্রগতি অর্জন করেছে ? মূল্যায়ন কর। ৪
৮.
কোনো দেশকে দ্রুত অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এগিয়ে নিতে হলে কিছু পূর্বপরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ করতে হয়। এসব কর্মসূচিকে আবার কতকগুলো ভাগে ভাগ করা হয়। আয় বৈষম্য হ্রাস, বেকারত্ব ও দারিদ্র লাঘব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, জনসংখ্যা উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে এ কর্মসূচি গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু মূলধন ও ঋণের অভাব, তথ্য - উপাত্তের সংকট, দুর্নীতি, অদক্ষ জনগোষ্ঠী, দুর্বল অবকাঠামো, প্রশাসনিক অদক্ষতা প্রভৃতি এ কর্মসূচিকে সফলতার মুখ দেখতে দেয় না।
ক. মধ্যমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা কী ? ১
খ. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সফলতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সফলতা নির্ভরশীল - ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের আলোকে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. কী কী কারণে উন্নয়ন পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় ? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর। ৪
৯.
প্রত্যেক ব্যক্তি এবং দেশ উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে । X দেশের সরকার ২০০৮ সালে ২০২১ এবং ২০৪০ সালকে টার্গেট করে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নিয়োজিত রয়েছে । এছাড়া প্রতিবছর ওই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বার্ষিক বাজেট বাস্তবায়ন এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করছে । একই সময়ে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় মূলধনের অভাব, শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা, আয় বৈষম্য এবং দারিদ্র্যের মধ্যে থেকে ও অনুরূপ পরিকল্পনা গ্রহণ করায় ১৯৯১ সালে দারিদ্র্যের হার ৪০ % থেকে বর্তমানে ১৪ % এ নেমে এসেছে । সাফল্য এসেছে বহু ক্ষেত্রে । গত এক দশক যাবৎ বাংলাদেশের GDP প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৭ শতাংশের কাছাকাছি অর্জিত হয়েছে । জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পেয়েছে ।
ক. বস্তুগত ( Physical) পরিকল্পনা কী ? ১
খ. প্রচলিত ' Golden GPA ' প্রাপ্তির জন্য ও পরিকল্পনা প্রয়োজন - বুঝিয়ে লেখ ? ২
গ. উদ্দীপকে উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রকারভেদ চিত্রিত কর। ৩
ঘ. উদ্দীপকে X দেশের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের কী অভিজ্ঞতা বর্ণিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর। ৪
১০.
উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি সেমিনারে সিয়াম পরিকল্পনার প্রকারভেদ আলোচনার সময় পরিকল্পনার নিমোক্ত তালিকা তুলে ধরলেন।
তিনি বললেন এসব পরিকল্পনার জন্য গ্রহণ করা হয়। তবে সঠিক তথ্য উপাত্তের অভাব, মূলধনের স্বল্পতা, উচ্চাভিলাস, দুর্নীতি ইত্যাদি কারণে এদেশের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে বড় বাঁধা।
ক. আঞ্চলিক পরিকল্পনা কাকে বলে। ১
খ. দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি কীভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করতে পারে ব্যাখ্যা কর ? ২
গ. উন্নয়ন পরিকল্পনার ধরন হিসেবে C পরিকল্পনার প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. উদ্দীপকের বর্ণিত সমস্যাগুলো ছাড়াও আরও কী কী কারণে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয় না -
মতামত দাও। ৪
১১.
আনিস ও আনিকা 'ক' দেশের নাগরিক। আনিসের বাবা ধনী। তাই আনিস বিদেশে পড়তে যায়। আনিকারা আট- ভাইবোন। বাবার আয় সামান্য। তাই আনিকারা পড়ালেখার পরিবর্তে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। আনিসের বাবার তুলনায় আনিকাদের সম্পদ সামান্য।
ক. বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায় ? ১
খ. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন কেন ? ২
গ. 'ক' দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে কী ? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. 'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটাতে হলে কোন কোন ক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি ?যুক্তিসহকারে উত্তর
দাও। ৪
১২.
ক. জনসংখ্যা ঘনত্ব কী ? ১
খ. নিট অভিবাসন ধারণা ব্যাখ্যা কর। ২
গ. ' A' বিন্দুতে অসাম্যঞ্জস্যতার পরিমাণ নির্ণয় কর। ৩
ঘ. বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি কোন বিন্দুর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ? বিশ্লেষণ কর। ৪
১৩.
'ক' দেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিখাতে গুণগত পরিবর্তনসহ সামগ্রিক অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য ১০-২০ বছরের জন্য একটি পরিকল্পনা করে । অপরদিকে 'খ' দেশও তার দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বদ্ধপরিকর, তাই ১-৫ বছরের জন্য পরিকল্পনা করে । মূলত প্রত্যেকটি পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য থাকে দেশের সব মানুষের জীবনমান উন্নত করা।
ক. PRSP এর পূর্ণরূপ কী ? ১
খ. ''বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা হ্রাস করার জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা গুরুত্ব অনেক '' ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের আলোকে দেশ 'ক' এবং দেশ 'খ' এর দ্বারা গৃহীত পরিকল্পনার ধরন বর্ণনা কর। ৩
ঘ. 'ক' এবং 'খ' দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে তুলনা কর । এ দুইটি পরিকল্পনার মধ্যে কোনটি বেশি কার্যকরী
ব্যাখ্যা কর। ৪